Subscribe:

দাঁতকে হীরের মত চকচকে ও পরিষ্কার রাখার সবথেকে সহজ উপায়


দাঁতের নানান সমস্যা সমাধানের সবথেকে সহজ পথ। দাঁতের গোঁড়া দুর্বল আর সেখান থেকে রক্তপাত, কোনও ঠাণ্ডা জিনিস দাঁতের সংস্পর্শে এলেই শিরশিরিয়ে উঠছে দাঁত কিংবা শক্ত কিছু জিনিস দাঁতে কাটতে গেলে ব্যাথা অনুভব হচ্ছে, এছাড়াও দাঁত পরিষ্কার না থাকার কারণে বিশ্রী গন্ধ-সব সমস্যার সমধান এক চুটকিতে। কোনও ওষুধ নয়, নতুন কোনও পেস্টও নয় কাজ হবে ভেষজ দাওয়াইতে।
‘Sage Leaves’, বাংলায় যাকে বলা হয় ঋষি পাতা। দু থেকে তিনটি পাতা রোজ চিবিয়ে নিলেই দাঁতের যাবতীয় সমস্যা নিমেষেই উবে যাবে। দুর্গন্ধ থেকে মাড়ির যন্ত্রণা ঋষি পাতার রস কাজ করে টনিকের মত। ঋষি পাতার রসে মজুত থাকে ট্যানিক অ্যাসিড, ইউরোসলিক অ্যাসিড, কারনোসিক অ্যাসিড, ফিউমারিক অ্যাসিড যা মুখের ভিতরে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এমনকি থ্রোট ক্যান্সারেরও প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে সেজ পাতা।

মাথার চুল বৃদ্ধি বা নতুন চুল গজানোর একটি অবিশ্বাস্য পদ্ধতি


বলা হয়ে থাকে চুল মানুষের সৌন্দর্যের আধার। চুল পড়ে গিয়ে টাক হয়ে যায়। সব বয়সের লোকদের কমবেশি চুল পড়ে থাকে। এমনকি যৌবনেও ঘটে। চুল পড়া একটি সাধারণ রোগ।
চিকিৎসকদের মতে, হরমনের পাশাপাশি প্রোটিন (আমিষ) ও ফ্যাটের (চর্বি) অভাবে মানুষের চুল পড়ে। বাড়িতে বসেই এক বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি আপনার চুলের সৌন্দর্য বাড়ান, চুল পড়া রোধ করুন ও মাথায় নতুন চুল গজান।
দইতে চর্বি ও উচ্চ ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে। আমিষ ও চর্বিতে পরিপূর্ণ ডিম। এত প্রোটিন অন্য খাবারে পাওয়া যায় না। এ দই ও ডিম মিশিয়ে চুল পরিচর্যার রেসিপি বানানো যায়। চুলের রুক্ষতা ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এটা।
বিশেষত বাড়িতে বানানো এই রেসিপি চুল পরিষ্কার করে। শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি চুল গজাতে বেশ কার্যকরী। মোটের ওপর এটি চুলকে প্রাণবন্ত, স্নিগ্ধতা ও কোমল করার জন্য তুলনা নেই। ঝকঝকে ও স্বাস্থ্যকর চুল পেতে এই রেসিপি মাথায় খুলিতে ক্যলসিয়াম ও প্রোটিন সরবরাহ করে।
মধুও মাথার চুল বৃদ্ধিতে বেশ কাজে দেয়। এতে উপকারী বেশকিছু উপাদান রয়েছে- যেমন ভিটামিন-ই, কে, সি, বি১, বি২ ও বি৬। আর কলা চুলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যুদ্ধ করে।
ডিম, মধু ও বিয়ারের মিশ্রণ আপনার চুল রক্ষায় অবিশ্বাস্য কাজ করে। বিয়ারে ভিটামিন-বি, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার রয়েছে, যা আপনার চুলকে শক্তিশালী ও চুল গজাতে দারুণ কাজে দেয়।
যেভাবে নতুন চুল গজানোর রেসিপি বানাবেন :
একটি ডিম অথবা এর শুধুমাত্র কুসুম, একটি কলা, এক অথবা দুই কাপ ঘন বিয়ার, এক টেবিল চামচ মধু নিন। এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। এক থেকে দুই ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন। মাথা শুকানোর পর সাধারণভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাথার চুল বৃদ্ধি বা নতুন চুল গজাতে এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন

৯টি লক্ষণে বুঝে নিন আপনি কখনোই ধনী হবেন না


ধরে নিন, আপনি বেকার নন, কাজকর্ম করেন। আয়-রোজগারও নেহাত কম নয়। তা-ও যা আয় হচ্ছে, মাস শেষে তাকিয়ে দেখছেন, হাতে আর কিছুই নেই। কিন্তু এ যেনো দিন এনে দিন খাওয়ার মতই অবস্থা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সব সময়ই কি এমন দরিদ্র দশায় কাটবে? যদি এগুলোর কোনোটি বা কিছু আপনার মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে বুঝবেন—ধনী হওয়া আসলে সম্ভব নয় আপনার পক্ষে!
১. নির্দিষ্ট সময় আর দিনের বিষয়ে ভিত্তি করে আপনি পারিশ্রমিক পেতে চান। ধনী এবং সফল ব্যক্তিরা তাঁদের কাজের ফলাফলের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক চান।
২. অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার তেমন নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই।
৩. আপনি সবকিছুর আগে আগে খরচ করেন। এর পর যতটুকু অবশিষ্ট থাকে, সেটাই সঞ্চয় করেন।
৪. আপনি বিশ্বাস করে বসে আছেন যে আপনার পক্ষে কখনোই ধনী হওয়া সম্ভব নয়!
৫. আপনি সঞ্চয়ের ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেন, কিন্তু আয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেন না।
৬. আপনি এখনো কোনো কিছুর ওপর বিনিয়োগ শুরু করেননি।
৭. আপনি এমন সব জিনিসপত্র কিনে ফেলেন, যেগুলো চালানোর বা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আসলে আপনার নেই। ৮. আপনি অন্য কারো স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে চলছেন, নিজেরটা নয়! ৯. নিজের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক আঙিনার বাইরে যেতে চান না আপনি।ধরে নিন, আপনি বেকার নন, কাজকর্ম করেন। আয়-রোজগারও নেহাত কম নয়। তা-ও যা আয় হচ্ছে, মাস শেষে তাকিয়ে দেখছেন, হাতে আর কিছুই নেই। কিন্তু এ যেনো দিন এনে দিন খাওয়ার মতই অবস্থা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সব সময়ই কি এমন দরিদ্র দশায় কাটবে? যদি এগুলোর কোনোটি বা কিছু আপনার মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে বুঝবেন—ধনী হওয়া আসলে সম্ভব নয় আপনার পক্ষে!
১. নির্দিষ্ট সময় আর দিনের বিষয়ে ভিত্তি করে আপনি পারিশ্রমিক পেতে চান। ধনী এবং সফল ব্যক্তিরা তাঁদের কাজের ফলাফলের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক চান।
২. অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার তেমন নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই।
৩. আপনি সবকিছুর আগে আগে খরচ করেন। এর পর যতটুকু অবশিষ্ট থাকে, সেটাই সঞ্চয় করেন।
৪. আপনি বিশ্বাস করে বসে আছেন যে আপনার পক্ষে কখনোই ধনী হওয়া সম্ভব নয়!
৫. আপনি সঞ্চয়ের ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেন, কিন্তু আয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেন না।
৬. আপনি এখনো কোনো কিছুর ওপর বিনিয়োগ শুরু করেননি।
৭. আপনি এমন সব জিনিসপত্র কিনে ফেলেন, যেগুলো চালানোর বা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আসলে আপনার নেই। ৮. আপনি অন্য কারো স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে চলছেন, নিজেরটা নয়! ৯. নিজের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক আঙিনার বাইরে যেতে চান না আপনি।