Subscribe:

মেয়েদের টক খেতে বলা হয় কিন্তু ছেলেদের খেতে নিষেধ করা হয় কেন? অবাক করা তথ্যটি জেনে নিন!!

 
তেঁতুল একটা উপকারী ফল।এটার অনেক পুষ্টিগুন রয়েছে। ছেলেদের নিষেধ আর মেয়েদের খেতে হবে বিষয়টা এমন নয় ।বরং এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিউপাদান যেমন,
জলীয় অংশ (গ্রাম) ২০.৯
মোট খনিজ পদার্থ (গ্রাম) ২.৯
আঁশ (গ্রাম) ৫.৬ – ১.০
খাদ্যশক্তি (কিলোক্যালরি) ২৮৩
আমিষ (গ্রাম) ৩.১
চর্বি (গ্রাম) ০.১
শর্করা (গ্রাম) ৬৬.৪
ক্যালসিয়াম (মিলিগ্রাম) ১৭০
আয়রন (মিলিগ্রাম) ১০.৯ – ১.০
ক্যারোটিন (মাইক্রোগ্রাম) ৬০
ভিটামিন বি১ (মিলিগ্রাম) –০.০১
ভিটামিন বি ২ (মিলিগ্রাম) ০.০৭
ভিটামিন সি (মিলিগ্রাম) ৩ ৬
এটা খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় এমন ধারনা অনেকে করে তবে সেটা ভুল।এটা ছেলেদের ও উপকার করে মেয়েদেরও করে।
তবে কোন এক অজানা কারনে এটা অন্য প্রানী যেমন ষাঁড়ের যৌন ক্ষমতা কমাতে এটা ব্যাবহৃত হয়।তবে গবেষনায় দেখা যায়
তেঁতুল পুরুষ মানুষের যৌন ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করে, আর মেয়েদের জন্যও এটা অনেক কাজের কারন এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি
যা তাদের দেহের ক্ষত পুরুনে সাহায্য করে আর মেয়েদের শরীরে বেশী ক্ষত হয় বিশেষ করে প্রতিমাসে তো হয়ই, আর প্রেগনেন্সির
সময় এটা খেলে মুখের রুচি ফিরে নিয়ে আসে ফলে মায়ের স্বাস্থ্য ঠিক থাকে ,এবং রক্তের চর্বি কমানোর মাধ্যমে মায়ের ও বাচ্চার রক্তচলাচল ঠিক রাখে।
তাই এটা কারো জন্য আর নিষেধ নয় বরং সীমার মধ্যে হলে সবারই খাওয়া যাবে।
এটা প্রচলিত গ্রাম্য কুসংস্কার মাত্র। টক খাবারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও অন্যান্য উপাদান থাকে যা আমাদের জন্য জরুরী তাই পরিমিত টক ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই উপকারী। ডাক্তারি মতে সবার জন্যই প্রয়োজনীয় টক খাওয়া উচিৎ।
তবে বেশি পরিমানে খেলে সেটা laxative হিসেবে কাজ করতে পারে,যা সুস্থ ছেলে বা মেয়ের জন্য সমস্যার কারন হতে পারে।

ওষুধ নয়, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়বে না এই ফল খেলে!


ডালিম বা বেদানা। এই ফলটা আমরা হামেশাই খেয়ে থাকি। কিন্তু এই ফলের যে কত উপকারিতা রয়েছে তা বেশিরভাগ মানুষই জানেন না। সমীক্ষকেরা জানিয়েছেন যে, এই ডালিম বা বেদানায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা আমাদের পেশির শক্তি বাড়ায় এবং এই উপাদান আমাদের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

পুরুষের যে গুণটিকে চেহারার চেয়েও বেশী গুরুত্ব দেয় মেয়েরা!


নারী কিংবা পুরুষ উভয়েরই কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কিছু নিজস্ব রীতি রয়েছে। কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো নারী গুরুত্ব দেয়, তা নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে। এতে উঠে এসেছে এমন কিছু বিষয়, যা আগে জানা যায়নি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
এ গবেষণার জন্য নারীদের বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখানো হয় এবং তা থেকে কাদের ভালো লাগে তা জানাতে বলা হয়। তাদের ছবির পেছনের কাহিনী ছিল মূল কৌশল। বিভিন্ন ছবিতে তুলে ধরা হয় তাদের কেউ গৃহহীন মানুষকে সাহায্য করছে কিংবা পানি থেকে শিশুকে উদ্ধার করছে।
বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখিয়ে তা থেকে নারীদের দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গী হিসেবে কাউকে বেছে নিতে বলা হয়। এতে দেখা যায়, নারীরা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত পুরুষদের পছন্দ করে।
এ গবেষণায় আরেকটি বিষয় ছিল চেহারা কিংবা শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় পুরুষের সঙ্গে গুণের তুলনা করা। আদর্শ মানুষ অবশ্য শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় এবং গুণবান উভয়ই হতে পারে। কিন্তু নারীরা কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়, তা দেখাও ছিল গবেষকদের উদ্দেশ্য। এতে দেখা যায়, শারীরিক আকর্ষণের তুলনায় গুণ নারীরা শেষ পর্যন্ত বেছে নেয়। এক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নয় বরং শুধু সম্পর্ক গড়ার ইচ্ছা থাকলে তা আকর্ষণীয় পুরুষদের সামান্য ওপরে রেখেছে। তবে উভয় বিষয় বিবেচনা করলে তা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত বা পরহিতকর পুরুষদেরই সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপে তুলে ধরে।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ইভোলিউশনারি সাইকোলজি জার্নালে।