Subscribe:

বাংলায় নামের প্রথম অক্ষর কী বলে আপনার চরিত্র সম্পর্কে, জেনে নিন!!


অ: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের একঘেয়ে বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
আ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ই: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ঈ: প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
উ: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঊ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঋ: এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
এ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ঐ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ও: কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন। রুচিশীল হন। আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷
ঔ: সাধারণত এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ক: মিষ্টি স্বভাবের। এক সঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
খ: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
গ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।
ঘ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ তবে যৌনতায় আছেন। সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঙ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয়।
চ: রোমান্টিক৷ প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
ছ: সম্পর্কের মূল্য দেন৷ আন্তরিকতা পছন্দ করেন৷ খুব সংবেদনশীল হন৷ হইচই করে সময় কাটাতে ভালবাসেন।
জ: যেটা মনে মনে চান সেটা আদায় করেই ছাড়েন৷ স্বভাবগত দিক থেকে খুব কেয়ারিং৷ উচ্চাকাঙ্খী হওয়ার পাশাপাশি পরশ্রীকাতর৷
ঝ: আনন্দ, বিলাস ভালবাসেন৷ সম্পর্কের ব্যাপারে খুব একটা বিশ্বস্ত নন৷ তবে অত্যন্ত পরিশ্রমী।
ঞ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয় না।
ট: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঠ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু হয় তাঁরা আদর্শবাদী ও রোমান্টিক। তবে এঁদের মন খুব স্পর্শকাতর। জীবনে সাফল্য পান।
ড: ভীষণ খুঁতখুঁতে প্রকৃতির৷ খুব পরিশ্রমীও হন এরা৷ লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রচণ্ড খাটতে পারেন৷ জীবনে কোনও কিছুকেই অসম্ভব মনে করেন না।
ঢ: এঁদের মধ্যে স্নেহ, মমতা রয়েছে৷ সাধারণত মানসিকভাবে খুব দৃঢ় হন। এদের সহজে সন্তুষ্ট করা যায় না৷
ণ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ত: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
থ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু তাঁরা লাজুক প্রকৃতির৷ তবে খুব বেশি ছক করে, প্ল্যান করে চলতে ভালবাসেন৷
দ: এঁরা খুব রোমান্টিক৷ এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
ধ: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ন: এঁরা আবেগপ্রবণ৷ সম্পর্কের গভীরতা বোঝেন৷ সবকিছুতেই হাত পাকাতে পছন্দ করেন৷ আপনার মধ্যে দয়া-মায়া রয়েছে৷
প: স্বভাবের দিক থেকে হাসিখুশি। এঁরা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে মজাদার আচরণ করলেও মনের বেদনা প্রকাশ করেন না।
ফ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ব: সবসময় কাজের মধ্যে থাকতে ভালবাসেন৷ অন্যের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকা খুব পছন্দের৷ বিশেষ করে বিপরিত লিঙ্গের প্রতি।
ভ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ম: আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷ কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন।
য: খুব সংবেদনশীল৷ ব্যক্তিগত স্পেসে কাউকে ঢুকতে দেন না৷ প্রেমে পড়লেও খুব একটা অনুভূতি প্রকাশ পছন্দ নয়৷
র: প্রেমকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন৷ প্রেমহীন জীবনের কল্পনাও করতে পারেন না৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ল: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
শ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ষ: একসঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
স: কোনও কিছু মনের মতো না হলে তা ছেড়ে দেন৷ প্রতিযোগিতার দৌড়ে সামিল হওয়া খুব পছন্দের৷
হ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।

ফেসবুকে ৮ তথ্য না দেয়ার পরামর্শ দিল ডিএমপি ! দিলে শিঘ্রই ডিলেট করুন !


ফেসবুক ব্যবহারে অসচেতনতার কারণে মানুষ নিজের অজান্তেই নিজেকে অনিরাপদ করে তুলছে। লোকেশন ট্যাগ সহ নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ছবি পোস্ট করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি অপরাধীদের কাছে সহজলভ্য করে দিচ্ছে।এ কারণে কিছু বিষয় ফেসবুকে শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলে তারা আশা করছেন।
ফেসবুকে যে ৮টি বিষয় শেয়ার না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে:
১. জন্ম তারিখ অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. শিশু কোথায় পড়াশুনা করে গত কয়েক বছরের যৌন ও শিশু বিষয়ক অপরাধগুলো গবেষণা করে ইংল্যান্ডের শিশু বিষয়ক সংস্থা এনএসপিসিসি জানান, অধিকাংশ অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অসচেতন ছিলেন। এজন্য অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো ঘটেছে। অথচ অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে অবেগাপ্লুত হয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। সেইসঙ্গে স্ট্যাটাসে জানিয়ে দেন, তার শিশু কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। এটি শিশুর জন্য নিরাপদ নয়। এতে শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।
৩. শিশুর ছবি অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, ‘শিশুদের নিয়ে যেকোনো তথ্য পাবলিকের কাছে শেয়ার করার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। যদিও অনেকেই শিশুদের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, শত্রুরা আপানার শিশুকে চিনে রাখলো। এরপর সুযোগ বুঝে শিশুটিকে অপহরণ করলো।’
৪. বর্তমান অবস্থান যেখানে সেখানে সেলফি তুলে লোকেশন ট্যাগ করে দেওয়াটা অনিরাপদ। এর মাধ্যমে যে কেউ আপনার সবশেষ অবস্থান জানতে পারে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে। দেখা গেল, আপনার অবস্থান জেনেই শত্রুপক্ষ আপনার ওপর হামলা করলো।
৫. কখন এবং কোথায় যাচ্ছি দেখা যায়, আমরা কখন, কোথায় যাচ্ছি কিংবা ভ্রমণে বের হচ্ছি সে বিষয়টি ফেসবুকে জানিয়ে দিই। যা মোটেও নিরাপদ নয়। এই বিষয়গুলো জেনে আপনার প্রতিপক্ষ ক্ষতি করতে পারে। হয়তো শত্রুপক্ষ আপনার এমন তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলো। সেটি জেনে আপনার ওপর হামলা করতে পারে। ফেসবুকে এসব বিষয়ের জানান দেওয়া নিজের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
৬. নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করা অনেক সময় ফেসবুকে নিজের অবস্থানের নির্দিষ্ট স্থান ট্যাগ করে দেন অনেকেই। ওই সময় আপনার প্রোফাইল যে ভিজিট করবে, সে জানতে পারবে এখন আপনি কোথায় আছেন। সেটি বাসায় কিংবা অফিসে হোক। দেখা গেল, এভাবে কেউ আপনার বাসা ও অফিসের ঠিকানা সংগ্রহ করে রাখলো। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে আপনার ক্ষতি করলো। আর এ জন্য ফেসবুকে লোকেশন ট্যাগ করা মোটেও নিরাপদ নয়।
৭. ফোন বা মোবাইল নম্বর অনেকেই মোবাইল কিংবা ফোন নাম্বার ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। যা সম্পূর্ণভাবে অনিরাপদ। দেখা গেলো, শত্রুপক্ষ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে এবং সুযোগ বুঝে কাজ করে। পাশাপাশি যে কেউ আপনার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে, সময়ে অসময়ে কল দিয়ে বিরক্ত করার সুযোগ পায়। মোবাইল বা ফোন নম্বর ব্যক্তিগত গোপনীয় জিনিস। পরিচিত ব্যক্তিদের ছাড়া কাউকে ফোন কিংবা মোবাইল নম্বর দেওয়া নিরাপদ নয়।
৮. ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ক্রেডিট কার্ড হচ্ছে গোপন ও স্পর্শকাতর বিষয়। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। তবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কিংবা ওয়েবসাইট বুঝেই দিতে হবে। যাতে আপনার দেওয়া তথ্য তাদের কাছে সুরক্ষিত থাকে। আর দেরি নয়। সচেতন হবার এখনই সময়।

হাতে আর একদিন! বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে পৃথিবী


হাতে সময় আর মাত্র একদিন। আগামী ২১ আগস্ট এক বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে উত্তর আমেরিকা। ৯৯ বছরে প্রথম এমন দৃশ্য দেখা যাবে। এটি হবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। এদিন চাঁদের ছায়া অতিক্রম করতে হবে পৃথিবীকে। এই দৃশ্য দেখার জন্য অবশ্যই আপনাকে চোখ বিশেষ চশমা পরতে হবে।
এই সূর্যগ্রহণের সময়, দেখা দেবে লুকোনো গ্রহ ৷ এক আধটা নয়, একসঙ্গে চারটি ৷ ২১ আগস্ট গ্রহণের ফলে চাঁদের ৭০ মাইল ছায়া পড়বে পৃথিবীতে ৷ আমেরিকা, বিশেষত উত্তর আমেরিকা থেকে পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে এই গ্রহণ ৷ চাঁদ যখন সূর্যকে ঢাকবার চেষ্টায় থাকবে আর পাশ থেকে উঁকি দেবে সূর্য, তখন পৃথিবীবাসীরা সেই হালকা আলোয় দেখতে পাবে চারটি গ্রহকে ৷ সম্পূর্ণ খালি চোখে ৷ ভূগোল বইয়ে ছবি দেখার পর যে গ্রহগুলি দেখার জন্য ছোট ছেলেমেয়েরা সময় অসময়ে বাবা মায়ের কাছে বায়না ধরে, সেই গ্রহগুলি দর্শন দেবে আকাশে ৷ দেখা যাবে বৃহস্পতি, মঙ্গল, শুক্র ও বুধকে।
চাঁদ যেদিকে থাকবে, সেদিকেই দেখা দেবে বুধ ও শুক্র ৷ তার থেকে কিছু দূরে একই সরলরেখায় থাকবে বৃহস্পতি ৷ আকাশে ছড়িয়ে থাকা নক্ষত্রের সৌন্দর্যও সেদিন দেখা যাবে প্রাণভরে ৷ গ্রহণের সময় সূর্য স্থান নেবে লিও নক্ষত্রের মধ্যে।
এই গ্রহণের দৃশ্য দেখার জন্য নাসা সুরক্ষার কিছু মাপকাঠি স্থির করেছে। সেগুলি হল-
১) সরাসরি সূর্যের দিকে তাকাবেন না ৷ গ্রহণ দেখার জন্য বিশেষ ফিল্টার দেওয়া চশমা ব্যবহার করুন।
২) চশমা যেন ভালো পরিস্থিতিতে থাকে।
কোনো স্ক্র্যাচ যেন না থাকে ৷ চশমা যেন ভাঙা বা দোমড়ানো না হয়।
৩) ৩ বছরের পুরোনো চশমা হলে সেটি ব্যবহার করবেন না।
৪) চশমায় যেন অবশ্যই ISO মার্ক থাকে।
৫) ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে কোনোভাবেই গ্রহণ দেখবেন না। 
সূত্র: কলকাতা